
সিলেট মহানগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন পশ্চিম সুবিদবাজার এলাকায় পূর্ব পরিচয় ও আত্মীয়তার সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ১৫ বছরের এক কিশোরকে বেড়ানোর কথা বলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা থানার সুজানগর গ্রামের মৃত ফয়জুর রহমানের ছেলে আব্দুস শুক্কুর (৭৯), বর্তমানে তিনি শাহজালাল উপশহরের হালিমা ভিলার বাসিন্দা এবং সিলেট মহানগরীর শাহপরাণ (রহঃ) থানাধীন সুলতানপুর গ্রামের মৃত সোয়াইবুর রহমানের ছেলে মোঃ খায়রুল ইসলাম প্রকাশ বাবলা (৩৫), বর্তমানে তিনি খাস্তবীর এলাকার আবিদ কটেজের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মে বিকেলে অভিযুক্তরা ওই কিশোরকে বেড়ানোর কথা বলে বাসা থেকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। পরে তাকে এয়ারপোর্ট থানাধীন পশ্চিম সুবিদবাজার এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে কিশোরটিকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর বিষয়টি গোপন রাখার জন্য ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করে অভিযুক্তরা।
পরবর্তীতে ওই কিশোর মানসিক ও শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের কাছে প্রকাশ করে। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে গত ৫ জুন রাতে শাহজালাল উপশহরের এবিসি পয়েন্ট এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত আব্দুস শুক্কুর ও খায়রুল ইসলাম বাবলাকে আটক করে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের নিজেদের হেফাজতে নেয়।
এ ঘটনায় আজ ০৬ জুন (শনিবার) ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।