
.
জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার রক্তে যাদের হাত রাঙানো, সেই ‘হত্যাচেষ্টা’ মামলার মূল হোতা আওয়ামিলীগ নেতা আব্দুর রহমান বদির জামিন মানেই অপরাধ জগতের পুনর্জাগরণ।এই জামিন কি তবে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের সাথে এক চরম উপহাস?
ডিএনসি-র তালিকার ১ নম্বর ‘ইয়াবা গডফাদার’ যদি মুক্ত বাতাসে ঘোরে, তবে সীমান্তজুড়ে মাদকের বিষাক্ত ছোবল আর প্রাণঘাতী সিন্ডিকেটগুলো আবার সক্রিয় হয়ে উঠবে। প্রতিটি অভিভাবক আজ তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে আতঙ্কিত।সাবেক সংসদ সদস্য যার লাঠিয়াল বাহিনীর কাছে সাধারণ জনগণ জিম্মি,ক্ষমতার চেয়ারে বসে নতুন সরকারের কি একটি বার চিন্তা হয়নি সেইসব যুবক-তরুন ছাত্রদের কথা যাদের রক্তে অর্জিত আজকের নতুন স্বাধীনতা।
জেল থেকে বেরিয়ে বদি কি তার পুরনো ‘লাঠিয়াল বাহিনী ’ দিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর প্রতিশোধ নেবে? যারা তার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে, তাদের জীবনের নিরাপত্তা কে দিবে?নতুন শপথ নেওয়া সরকার এই বিষয়ে যেনো নিরব।
এই জামিন প্রমাণ করে যে আড়ালে থাকা শক্তিশালী চক্র এখনো সক্রিয়। যদি খুনি আর মাদক সম্রাটরা এভাবেই পার পেয়ে যায়, তবে টেকনাফ থেকে উখিয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে।
ইয়াবা সাম্রাজ্যের গডফাদারের মুক্তি মানেই শান্ত জনপদে আবার অশান্তির দাবানল। অন্ধকার শক্তি কি তবে আবার রাজপথ দখল করতে আসছে?
প্রতিবেদক : শাহান আহমদ, সুরমা দর্পণ।
শাহান আহমদ 








