Dhaka ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
হাসনাতের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে ইসিতে আবেদন বিএনপি প্রার্থীর সৈয়দুল ইসলামের কবিতা || শীতকাল || যুক্তরাষ্ট্রের নিশিগানে খালেদা জিয়ার নামে সড়কের নামকরণ। দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে হবে …………মাওলানা লোকমান আহমদ ন্যায়বিচারের দাবিতে যুক্তরাজ্যজুড়ে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ শহীদ ওসমান হাদির বার্তা পৌঁছে দিতে বৃটেনব্যাপী সফর সম্পন্ন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে প্রার্থী হওয়া যাবে না—এই আইন বাতিল হওয়া জরুরি। ———–কাউন্সিলার নওশাদ আলী ঢাকা ম্যানচেস্টার রুট সাময়িক স্থগিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট কমিউনিটি এক্টিভিটিস্ট শাহান আহমদ চৌধুরী। ১৫ জানুয়ারি আল্লামা ফুলতলী ছাহেব (রহ.)-এর ঈসালে সাওয়াব মাহফিল: প্রস্তুতি চলছে ঐতিহাসিক বালাই হাওরে! সিলেট-৩: বিএনপির প্রার্থী এমএ মালিকের মনোনয়নপত্র স্থগিত অবেলার ডাক বর্ষসেরা কবি নির্বাচিত হলেন হেলাল, রকিবুল, খুরশিদ।

তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে ‘ত্রিমুখী’ বাধা।

.
নেপথ্যে ড. ইউনূস, জামায়াত ও সেনাবাহিনীর একাংশ—অভিযোগ বিএনপির

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন চরম শারীরিক সংকটে চিকিৎসাধীন, ঠিক সেই মুহূর্তে তার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঘিরে তৈরি হয়েছে জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিএনপি এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের দাবি—শুধু আইনি বাধা নয়, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, জামায়াতে ইসলামী এবং সেনাবাহিনীর একটি অংশের আপত্তির কারণেই তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
মূল অভিযোগগুলো—
ড. ইউনূসের অনীহা: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিরাপত্তার অজুহাত তুলে তারেক রহমানের দেশে ফেরা আপাতত ঠেকিয়ে রাখতে চাইছেন।
জামায়াত ও সেনাবাহিনীর বিরোধিতা: দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামী এবং সেনাবাহিনীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তারেক রহমানের ফেরার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
‘মাইনাস ফর্মুলা’র পুনরুত্থান: গোয়েন্দা তথ্যে নাকি ইঙ্গিত মিলেছে—তারেক রহমানকে রাজনৈতিক প্রভাব থেকে দূরে সরিয়ে রাখার পুরনো প্রচেষ্টা নতুন করে সক্রিয় হয়েছে।
সংস্কারের নামে সময়ক্ষেপণ: সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতে এখনই তারেক রহমানের দেশে ফেরা অনাকাঙ্ক্ষিত—এমন ধারণা প্রভাবশালী মহলে রয়েছে।
বিএনপি নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে সহানুভূতির কথা বললেও আড়ালে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঠেকানো হচ্ছে একটি সুগঠিত রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে। গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক সূত্রের দাবি—নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বললেও এর পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনা, যাতে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে ক্ষমতার সমীকরণে অস্থিরতা সৃষ্টি না হয়।
এদিকে জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মধ্যেও তারেক রহমানের তাৎক্ষণিক প্রত্যাবর্তন নিয়ে আপত্তি রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। সেনাবাহিনীর ভেতরেও একই মতের একটি শক্ত প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
মায়ের সংকটাপন্ন অবস্থায় দেশে ফেরার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করলেও তারেক রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি এখন আর তার একার সিদ্ধান্তে নির্ভর করছে না। আন্তর্জাতিক অঙ্গনের চাপ, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ ও সরকারের অবস্থানের কারণে তার দেশে ফেরা চরম অনিশ্চয়তার মুখে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মানবিকতার প্রশ্নে নয়—এক্ষেত্রে প্রাধান্য পাচ্ছে কঠোর রাজনৈতিক কৌশল, যা ভবিষ্যতে দেশের রাজনীতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সুরমা দর্পণ ডেস্ক :

আরও পড়ুনঃ  দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে হবে ...…......মাওলানা লোকমান আহমদ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

হাসনাতের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে ইসিতে আবেদন বিএনপি প্রার্থীর

তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে ‘ত্রিমুখী’ বাধা।

আপডেটের সময়: ০৩:৫২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

.
নেপথ্যে ড. ইউনূস, জামায়াত ও সেনাবাহিনীর একাংশ—অভিযোগ বিএনপির

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন চরম শারীরিক সংকটে চিকিৎসাধীন, ঠিক সেই মুহূর্তে তার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঘিরে তৈরি হয়েছে জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিএনপি এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের দাবি—শুধু আইনি বাধা নয়, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, জামায়াতে ইসলামী এবং সেনাবাহিনীর একটি অংশের আপত্তির কারণেই তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
মূল অভিযোগগুলো—
ড. ইউনূসের অনীহা: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিরাপত্তার অজুহাত তুলে তারেক রহমানের দেশে ফেরা আপাতত ঠেকিয়ে রাখতে চাইছেন।
জামায়াত ও সেনাবাহিনীর বিরোধিতা: দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামী এবং সেনাবাহিনীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তারেক রহমানের ফেরার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
‘মাইনাস ফর্মুলা’র পুনরুত্থান: গোয়েন্দা তথ্যে নাকি ইঙ্গিত মিলেছে—তারেক রহমানকে রাজনৈতিক প্রভাব থেকে দূরে সরিয়ে রাখার পুরনো প্রচেষ্টা নতুন করে সক্রিয় হয়েছে।
সংস্কারের নামে সময়ক্ষেপণ: সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতে এখনই তারেক রহমানের দেশে ফেরা অনাকাঙ্ক্ষিত—এমন ধারণা প্রভাবশালী মহলে রয়েছে।
বিএনপি নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে সহানুভূতির কথা বললেও আড়ালে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঠেকানো হচ্ছে একটি সুগঠিত রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে। গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক সূত্রের দাবি—নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বললেও এর পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনা, যাতে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে ক্ষমতার সমীকরণে অস্থিরতা সৃষ্টি না হয়।
এদিকে জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মধ্যেও তারেক রহমানের তাৎক্ষণিক প্রত্যাবর্তন নিয়ে আপত্তি রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। সেনাবাহিনীর ভেতরেও একই মতের একটি শক্ত প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
মায়ের সংকটাপন্ন অবস্থায় দেশে ফেরার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করলেও তারেক রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি এখন আর তার একার সিদ্ধান্তে নির্ভর করছে না। আন্তর্জাতিক অঙ্গনের চাপ, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ ও সরকারের অবস্থানের কারণে তার দেশে ফেরা চরম অনিশ্চয়তার মুখে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মানবিকতার প্রশ্নে নয়—এক্ষেত্রে প্রাধান্য পাচ্ছে কঠোর রাজনৈতিক কৌশল, যা ভবিষ্যতে দেশের রাজনীতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সুরমা দর্পণ ডেস্ক :

আরও পড়ুনঃ  সৈয়দুল ইসলামের কবিতা || শীতকাল ||