Dhaka ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সৈয়দুল ইসলামের কবিতা || শীতকাল || যুক্তরাষ্ট্রের নিশিগানে খালেদা জিয়ার নামে সড়কের নামকরণ। দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে হবে …………মাওলানা লোকমান আহমদ ন্যায়বিচারের দাবিতে যুক্তরাজ্যজুড়ে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ শহীদ ওসমান হাদির বার্তা পৌঁছে দিতে বৃটেনব্যাপী সফর সম্পন্ন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে প্রার্থী হওয়া যাবে না—এই আইন বাতিল হওয়া জরুরি। ———–কাউন্সিলার নওশাদ আলী ঢাকা ম্যানচেস্টার রুট সাময়িক স্থগিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট কমিউনিটি এক্টিভিটিস্ট শাহান আহমদ চৌধুরী। ১৫ জানুয়ারি আল্লামা ফুলতলী ছাহেব (রহ.)-এর ঈসালে সাওয়াব মাহফিল: প্রস্তুতি চলছে ঐতিহাসিক বালাই হাওরে! সিলেট-৩: বিএনপির প্রার্থী এমএ মালিকের মনোনয়নপত্র স্থগিত অবেলার ডাক বর্ষসেরা কবি নির্বাচিত হলেন হেলাল, রকিবুল, খুরশিদ। মাইসান গ্রুপের বার্ষিক কনফারেন্স অনুষ্টিত

যুক্তরাষ্ট্রের নিশিগানে খালেদা জিয়ার নামে সড়কের নামকরণ।

  • চীফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময়: ১০:১৩:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩০ সময় দেখুন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে একটি রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে। হ্যামট্রমিক শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ‘কারপেন্টার স্ট্রিট’ এখন থেকে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নামেই পরিচিত হবে। শহর কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের ইতিহাস, নেতৃত্ব এবং গণতন্ত্রের প্রতি এক অনন্য স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফাইড পেজে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে প্রার্থী হওয়া যাবে না—এই আইন বাতিল হওয়া জরুরি। -----------কাউন্সিলার নওশাদ আলী

এতে বলা হয়, হ্যামট্রমিক সিটির জোসেফ ক্যাম্পাও এবং কোনাল্ট স্ট্রিটের মধ্যবর্তী অংশটি বেগম খালেদা জিয়ার নামে নামকরণের প্রস্তাবটি সম্প্রতি সিটি কাউন্সিল অনুমোদন দেয়। বর্তমানে এই কাউন্সিলে চারজন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত কাউন্সিলর দায়িত্ব পালন করছেন, যাদের সক্রিয় প্রচেষ্টায় এই নামকরণ সম্ভব হয়েছে। প্রবাসীদের মতে, এটি কেবল একটি সড়কের নতুন পরিচয় নয় বরং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগ্রামের এক আন্তর্জাতিক দলিল।

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বাংলাদেশের কোনো নেতার নামে রাস্তার নামকরণ এবারই প্রথম নয়। এর আগে শিকাগো শহরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছিল। এবার মিশিগানে খালেদা জিয়ার নামে সড়কটি যুক্ত হওয়ায় মার্কিন মুলুকে বাংলাদেশের এক অবিচ্ছেদ্য রাজনৈতিক অধ্যায় স্থায়ী রূপ নিল।

আরও পড়ুনঃ  দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে হবে ...…......মাওলানা লোকমান আহমদ

স্থানীয়রা মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে নতুন প্রজন্মের প্রবাসী বাংলাদেশীরা দেশের ইতিহাস ও দেশনেত্রীর অবদান সম্পর্কে আরও সচেতন হবে।

বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশীরা এই অর্জনে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, এটি প্রবাসে বাংলাদেশী কমিউনিটির ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সক্ষমতারও একটি বড় প্রমাণ। হ্যামট্রমিক শহরটি তার বৈচিত্র্যময় জনপদের জন্য পরিচিত এবং সেখানে বাংলাদেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নামে সড়কের নামকরণ দুই দেশের মধ্যকার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধনকে আরও মজবুত করবে।

আরও পড়ুনঃ  ঢাকা ম্যানচেস্টার রুট সাময়িক স্থগিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট কমিউনিটি এক্টিভিটিস্ট শাহান আহমদ চৌধুরী।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ ডিসেম্বর রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। পরদিন তাকে শেরেবাংলা নগরে ‘জিয়া উদ্যানে’ স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সৈয়দুল ইসলামের কবিতা || শীতকাল ||

যুক্তরাষ্ট্রের নিশিগানে খালেদা জিয়ার নামে সড়কের নামকরণ।

আপডেটের সময়: ১০:১৩:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে একটি রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে। হ্যামট্রমিক শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ‘কারপেন্টার স্ট্রিট’ এখন থেকে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নামেই পরিচিত হবে। শহর কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের ইতিহাস, নেতৃত্ব এবং গণতন্ত্রের প্রতি এক অনন্য স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফাইড পেজে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ঢাকা ম্যানচেস্টার রুট সাময়িক স্থগিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট কমিউনিটি এক্টিভিটিস্ট শাহান আহমদ চৌধুরী।

এতে বলা হয়, হ্যামট্রমিক সিটির জোসেফ ক্যাম্পাও এবং কোনাল্ট স্ট্রিটের মধ্যবর্তী অংশটি বেগম খালেদা জিয়ার নামে নামকরণের প্রস্তাবটি সম্প্রতি সিটি কাউন্সিল অনুমোদন দেয়। বর্তমানে এই কাউন্সিলে চারজন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত কাউন্সিলর দায়িত্ব পালন করছেন, যাদের সক্রিয় প্রচেষ্টায় এই নামকরণ সম্ভব হয়েছে। প্রবাসীদের মতে, এটি কেবল একটি সড়কের নতুন পরিচয় নয় বরং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগ্রামের এক আন্তর্জাতিক দলিল।

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বাংলাদেশের কোনো নেতার নামে রাস্তার নামকরণ এবারই প্রথম নয়। এর আগে শিকাগো শহরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছিল। এবার মিশিগানে খালেদা জিয়ার নামে সড়কটি যুক্ত হওয়ায় মার্কিন মুলুকে বাংলাদেশের এক অবিচ্ছেদ্য রাজনৈতিক অধ্যায় স্থায়ী রূপ নিল।

আরও পড়ুনঃ  ন্যায়বিচারের দাবিতে যুক্তরাজ্যজুড়ে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ শহীদ ওসমান হাদির বার্তা পৌঁছে দিতে বৃটেনব্যাপী সফর সম্পন্ন

স্থানীয়রা মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে নতুন প্রজন্মের প্রবাসী বাংলাদেশীরা দেশের ইতিহাস ও দেশনেত্রীর অবদান সম্পর্কে আরও সচেতন হবে।

বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশীরা এই অর্জনে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, এটি প্রবাসে বাংলাদেশী কমিউনিটির ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সক্ষমতারও একটি বড় প্রমাণ। হ্যামট্রমিক শহরটি তার বৈচিত্র্যময় জনপদের জন্য পরিচিত এবং সেখানে বাংলাদেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নামে সড়কের নামকরণ দুই দেশের মধ্যকার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধনকে আরও মজবুত করবে।

আরও পড়ুনঃ  দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে প্রার্থী হওয়া যাবে না—এই আইন বাতিল হওয়া জরুরি। -----------কাউন্সিলার নওশাদ আলী

প্রসঙ্গত, গত ৩০ ডিসেম্বর রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। পরদিন তাকে শেরেবাংলা নগরে ‘জিয়া উদ্যানে’ স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।