Dhaka ০৭:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
যুগ যুগ ধরে হাজার হাজার গুণী জন্ম দিয়েছে দাউদপুর মাদ্রাসা, ২২৫ বছর অনুষ্ঠানে বক্তারা। সোনালী রঙে রাঙছে সিলেটের মাঠ, ধান কাটার উৎসবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন কৃষকরা। ‎ সিলেট সদর উপজেলা জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত। সিলেট সদর উপজেলায় আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত। পারিবারিক শৃঙ্খলা ও অবাধ্যতার কারণে সন্তানকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করলেন পিতা গ্রেটার সিলেট ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল ইউকে ইস্ট লন্ডন শাখার এজিএম ২০২৬ অনুষ্ঠিত। রাসূল সা.-এর প্রকৃত আদর্শ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ‘সুবহে সাদিক’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে —অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান টাওয়ার হ্যামলেটস কেয়ারারর্স অ্যাসোসিয়েশনের ৬৩ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কমিটির আত্নপ্রকাশ তালামীযে ইসলামিয়া দক্ষিণ সুরমা থানা শাখার সদস্য স্তর উন্নয়ন পরীক্ষা ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সিলেটে সৌদী দূতাবাসের হিফযুল হাদীস প্রতিযোগিতা বাছাই পর্ব সম্পন্ন

সোনালী রঙে রাঙছে সিলেটের মাঠ, ধান কাটার উৎসবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন কৃষকরা। ‎

কার্তিকের হালকা হিমেল বাতাস আর সোনালী রোদে সিলেটে বিস্তৃত হাওর ও গ্রামের মাঠগুলোতে এখন শোভা পাচ্ছে পাকা ধান। দিগন্তজোড়া মাঠে কাঁচা-পাকা ধানের ছড়া দোল খাচ্ছে বাতাসে। চারদিকে ভেসে আসছে নতুন ধানের সুবাস ও সুঘ্রাণ। ফসলের মাঠজুড়ে সোনালী রূপ দেখে কৃষকের চোখে-মুখে এখন ফুটে উঠেছে তৃপ্তির হাসি। কষ্টের ফসল ঘরে তোলার মাহেন্দ্রক্ষণ ঘনিয়ে আসায় হাওর ও গ্রামবাংলা জুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ।

আরও পড়ুনঃ  সিলেট সদর উপজেলা জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত।

সিলেটের বিভিন্ন উপজেলার হাওরাঞ্চল ও গ্রামীণ মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ জমির ধান পেকে হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে। রোদ উজ্জ্বল আবহাওয়া থাকায় এবার ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। প্রকৃতির এই রূপ দেখে আনন্দিত স্থানীয় চাষিরা। এখন চলছে ফসল কাটার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

কৃষকরা জানান, ধান কাটা, মাড়াই এবং শুকানোর জন্য ইতোমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। জং ধরা কাস্তে সান দেওয়া, ধান মাড়াইয়ের মেশিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা এবং উঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে আসা ধান কাটা শ্রমিকদের সাথে চুক্তি ও থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  যুগ যুগ ধরে হাজার হাজার গুণী জন্ম দিয়েছে দাউদপুর মাদ্রাসা, ২২৫ বছর অনুষ্ঠানে বক্তারা।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ফলন আশানুরূপ হয়েছে। বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা আগাম বন্যা না আসলে কৃষকরা নির্বিঘ্নে শতভাগ ধান ঘরে তুলতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  সিলেট সদর উপজেলায় আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

হাওরের একাধিক কৃষকের সাথে কথা বললে তারা জানান, রোদে পোড়া আর বৃষ্টিতে ভেজা হাড়ভাঙা খাটুনির পর যখন সোনালী ধান ঘরে তোলার সময় আসে, তখন সব কষ্ট ভুলে যান তারা। এখন শুধু আবহাওয়া ভালো থাকার প্রার্থনা। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই পুরোদমে শুরু হবে ধান কাটার উৎসব, আর এতেই প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে সিলেটের গ্রামীণ জনপদ।

Tag :

যুগ যুগ ধরে হাজার হাজার গুণী জন্ম দিয়েছে দাউদপুর মাদ্রাসা, ২২৫ বছর অনুষ্ঠানে বক্তারা।

সোনালী রঙে রাঙছে সিলেটের মাঠ, ধান কাটার উৎসবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন কৃষকরা। ‎

আপডেটের সময়: ১১:১৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

কার্তিকের হালকা হিমেল বাতাস আর সোনালী রোদে সিলেটে বিস্তৃত হাওর ও গ্রামের মাঠগুলোতে এখন শোভা পাচ্ছে পাকা ধান। দিগন্তজোড়া মাঠে কাঁচা-পাকা ধানের ছড়া দোল খাচ্ছে বাতাসে। চারদিকে ভেসে আসছে নতুন ধানের সুবাস ও সুঘ্রাণ। ফসলের মাঠজুড়ে সোনালী রূপ দেখে কৃষকের চোখে-মুখে এখন ফুটে উঠেছে তৃপ্তির হাসি। কষ্টের ফসল ঘরে তোলার মাহেন্দ্রক্ষণ ঘনিয়ে আসায় হাওর ও গ্রামবাংলা জুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ।

আরও পড়ুনঃ  সিলেট সদর উপজেলায় আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

সিলেটের বিভিন্ন উপজেলার হাওরাঞ্চল ও গ্রামীণ মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ জমির ধান পেকে হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে। রোদ উজ্জ্বল আবহাওয়া থাকায় এবার ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। প্রকৃতির এই রূপ দেখে আনন্দিত স্থানীয় চাষিরা। এখন চলছে ফসল কাটার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

কৃষকরা জানান, ধান কাটা, মাড়াই এবং শুকানোর জন্য ইতোমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। জং ধরা কাস্তে সান দেওয়া, ধান মাড়াইয়ের মেশিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা এবং উঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে আসা ধান কাটা শ্রমিকদের সাথে চুক্তি ও থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  সিলেট সদর উপজেলা জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ফলন আশানুরূপ হয়েছে। বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা আগাম বন্যা না আসলে কৃষকরা নির্বিঘ্নে শতভাগ ধান ঘরে তুলতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  যুগ যুগ ধরে হাজার হাজার গুণী জন্ম দিয়েছে দাউদপুর মাদ্রাসা, ২২৫ বছর অনুষ্ঠানে বক্তারা।

হাওরের একাধিক কৃষকের সাথে কথা বললে তারা জানান, রোদে পোড়া আর বৃষ্টিতে ভেজা হাড়ভাঙা খাটুনির পর যখন সোনালী ধান ঘরে তোলার সময় আসে, তখন সব কষ্ট ভুলে যান তারা। এখন শুধু আবহাওয়া ভালো থাকার প্রার্থনা। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই পুরোদমে শুরু হবে ধান কাটার উৎসব, আর এতেই প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে সিলেটের গ্রামীণ জনপদ।