
আওয়ামী ডেবিল আব্দুল আলীম তুহিন, তিনি ৪ নং লক্ষিপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক আওয়ামী চেয়ারম্যান। জুলাই বিপ্লবের সময় গোলাপগঞ্জ উপজেলার ৭ হত্যা মামলার আসামি হয়ে দীর্ঘদিন পলাতক থাকলেও নির্বাচনের আগে কখনো সে জামাতের কখনও বিএনপির লোক সাজার চেষ্টায় ব্যাস্ত ছিলো।
নির্বাচনকালিন সময়ে পাশের গ্রামের বিএনপি মনোনিতো এম পি প্রার্থী এমরান আহমেদ চৌধুরীর সাথে সমযোতার চেষ্টা করে বলে জানা যায়।এমরান আহমেদ চৌধুরী উনার আদর্শে অটল থাকায় সুবিধা করতে না পেরে লোকজনের কাছে লক্ষ লক্ষ টাকার সহায়তা করার কল্প কাহিনী ছড়াতে থাকে। এম পি হওয়ার পর এমরান আহমেদ চৌধুরী এই গুজব উড়িয়ে দেন।
ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে নিষিদ্ধ আওয়ামী ছাত্রলীগ ডেবিলদের তার বাড়িতেই আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে সংঘটিত করায় জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে এলাকায় গুঞ্জন আছে। বিগত ১৭ বছরে বিএনপি জামায়াত ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী মজলুম নেতাকর্মীরা তার বিরুদ্ধে ফুসে উঠেছেন, বিগত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার আমলে বিএনপি জামায়াতে ও জুলাই যোদ্ধা এবং ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মী সহ সাধারণ মানুষকে বিনা অপরাধে অন্যায় ভাবে মামলা প্রদান করত এই তুহিন, এখন তার এসব কর্মকাণ্ডপর বিরুদ্ধে বিএনপি জামায়াত ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান অংশগ্রহণ কারী জুলাই যোদ্ধা সহ সাধারণ মজলুম নেতাকর্মীরা ফুসে উঠতে শুরু করেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। এতকিছুর পরও গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন নির্বিকার বল্লেই চলে। আওয়ামী ডেবিল সাবেক পৌর মেয়র রাবেলের ঘনিষ্ঠ সহচর থানার দালাল খ্যাত তুহিনকে অতি দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য তৃণমূল জামায়াত বিএনপি থেকে জোর দাবি জানিয়েছেন।
সাধারণ ছাত্র জনতা ও জামায়াত বিএনপিসহ জুলাই যোদ্ধাদের প্রশ্ন সাত শহীদের রক্তের উপর গোলাপগঞ্জে কিভাবে বহাল তবিয়তে রয়েছে এই তুহিন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ কারী জুলাই যোদ্ধা সহ সাধারণ মানুষ এবং বিএনপি জামায়াতের নেতৃবৃন্দ সহ সাধারণ ছাত্র জনতা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন এবং এখনো এই অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়নি কেন তা খতিয়ে দেখারও আহ্বান জানিয়েছেন।
চিত্রে দেখুন তার কর্মকাণ্ডের অংশবিশেষ 👇


মোহাম্মদ জাকির হোসাইন 








