
সিলেট জেলা ছাত্রদলের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সাথে সাথেই তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। এবারের কমিটিতে ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়নের দাবি উঠেছে সর্বমহল থেকে। এই প্রেক্ষাপটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন ইমরান। বিগত দিনে একটি বিশেষ ইস্যুতে দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও, তার রাজনৈতিক ত্যাগ ও সক্রিয়তা বিবেচনায় তাকে পুনরায় দলে ফিরিয়ে আনার দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, সালাউদ্দিন ইমরান সিলেট জেলা ছাত্রদলের রাজনীতিতে এক পরিচিত মুখ। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে একাধিক রাজনৈতিক মামলার শিকার হয়ে তিনি দীর্ঘ সময় জেল খেটেছেন। হামলা-মামলা ও কারাবরণ করেও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি এই ছাত্রনেতা। মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা তাকে একজন “ত্যাগী নেতা” হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, দলের দুঃসময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।
সম্প্রতি জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সালাউদ্দিন ইমরানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত সক্রিয়। সিলেটের রাজপথে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি জানিয়ে সামনের সারিতে থেকে আন্দোলন সফল করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তার এই সক্রিয়তা সাধারণ শিক্ষার্থী ও স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা
নির্বাচনের আগে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ইস্যুতে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও, সিলেটের তৃণমূল ছাত্রদল মনে করে—দলের বৃহত্তর স্বার্থে সালাউদ্দিন ইমরানের মতো দক্ষ সংগঠককে বাইরে রাখা ঠিক হবে না।
জেলা ছাত্রদলের বেশ কয়েকজন নেতা জানান:
”ভুল বোঝাবুঝির কারণে অনেক সময় ত্যাগী নেতারা বহিষ্কৃত হন। কিন্তু ইমরানের অতীত রেকর্ড এবং বর্তমান সক্রিয়তা প্রমাণ করে তিনি দলের জন্য অপরিহার্য। নতুন কমিটিতে তাকে পুনরায় পদায়ন করা হলে সিলেট জেলা ছাত্রদল আরও শক্তিশালী হবে।”
সুরমা দর্পণ ডেস্ক 










